সেদিন বাংলাদেশের পতাকা পোড়ানো আর ড: ইউনুসের কুশপুত্তলিকা দাহ করার পর আজ বাংলাদেশের হাইকমিশনে হামলা করেছে ভারতীয় উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা৷ সেই সাথে আবার পুড়িয়েছে বাংলাদেশের পতাকা৷ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেছেন, বাংলাদেশে যেহেতু গৃহযুদ্ধের পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তাই জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েন করা উচিত। বিজেপি নেতারা বলছেন, আলু-পিঁয়াজ বন্ধ করে দেয়া হবে৷ আজ কমলার চালান আটকে দেয়া হয়েছে। 🙄
ভারত আসলে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে দিকবিদিকশুন্য হয়ে পড়েছে। কি করবে বুঝে উঠতে পারছে না। চীন আর পাকিস্তানের সাথে চিরবৈরিতা। নেপালী হিন্দুরা তাদের ঘৃণা করে। শ্রীলঙ্কার বৌদ্ধরা তাদের ঘৃণা করে৷ মালদ্বীপের মুসলিমরাও তাদের ঘৃণা করে। সবদেশ হতেই তাদের ঘাড়ধাক্কা দেয়া হয়েছে৷
অন্ধের যষ্টি বা একমাত্র লাঠিটা ছিল ৫০ বছর ধরে শোষণ করে আসা একমাত্র দেশ বাংলাদেশ। গোলামীতে অভ্যস্ত এদেশের জনগণ প্রচন্ড লোভী আবার একই সাথে ডান্ডা ভীতু। তাদের অনুগত ভৃত্য শেখ হাসিনাকে পেয়ে তারা আলাদিনের চেরাগ পেয়েছিল। শেখ হাসিনা লোভী আর দুর্নীতিবাজ শ্রেণীকে পাশে রাখলেন, পদে বসালেন আর প্রমোশন দিলেন৷ অন্যদের উপর চলল ডান্ডার বাড়ি। ব্যাস সব ভারতের নিয়ন্ত্রণে।
বিনাশুল্কে ট্রানজিট, একতরফা সব বিদ্যুৎ চুক্তি, মংলা বন্দর, চট্টগ্রাম বন্দর, ভারতের সাথে থাকা সব স্থল বন্দর, নদীর পানি, লাখ লাখ অবৈধ ভারতীয়দের চাকুরি দিয়ে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স নিয়ে যাওয়া.... শুধু নামেই ভারতের অঙ্গরাজ্য ছিল না বাংলাদেশ।
সেই আলাদিনের চেরাগ কিছু বুঝে উঠার আগেই হারিয়ে পুরোপুরি দিশেহারা মোদী সরকার আর বিজেপি নেতারা। এগুলো তাদের কল্পনা বা পরিকল্পনাতেও ছিল না৷ তাই তারা বিকল্প ভাবেনি। আজ ভারতকে ব্যান্ডউইথ দেয়ার প্রস্তাব ফাইনাল স্টেজে আসার পর প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ। এটা শেখ হাসিনার আরেকটা গোলামীর চুক্তি ছিল।
শেখ হাসিনা এখন অতীত৷ ভারত আর ভারতীয়দের মেনে নিতে হবে বাংলাদেশ একটা স্বাধীন আর সার্বভৌম দেশ৷ তাদের গোলামী আর দাসত্ব করার জন্য লাখ লাখ মানুষ জীবন দেয়নি।
মংলা বন্দরের চুক্তি বাতিল করুন। তিস্তা নদীর পানি চুক্তিতে বাধ্য করুন নইলে তিস্তা প্রকল্পের চুক্তি চীনকে দিয়ে দিন। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত আদানি চুক্তিও বাতিল করুন।
বাংলাদেশের মানুষ টুরিজম আর ট্রিটমেন্ট এর জন্য বিকল্প বেছে নিবে, সমস্যা নেই। ভারতীয় সেলিব্রিটি এনে মিলিয়ন ডলার দেয়ারও প্রয়োজন নেই।
আর ৩টা কাজ অবশ্যই করবেন।
- ভারতীয় পোশাক আমদানি বন্ধ করে দিন, মেয়েদের অধিকাংশ পোশাকই শালীনতা বিবর্জিত। দেশীয় পোশাক আমাদের জন্য যথেষ্ট। আর আমদানি করতে চাইলে পাকিস্তানি মেয়েদের পোশাক অনেক বেশী শালীন আর রুচিশীল।
- ঘরে ঘরে ভারতীয় সব টিভি চ্যানেল বন্ধ করুন। বিটিভি ছাড়া বাংলাদেশের চ্যানেলগুলো সম্প্রচারে কখনোই অনুমোদন দেয়নি ভারত৷
- পাবলিক প্লাটফর্মে, কনসার্টে, বিয়েবাড়িতে, শপিং মলে বা নাপিতের দোকানে.... হিন্দি গান নিষিদ্ধ করুন।
Atique Ua Khan
Subscribe to:
Posts (Atom)