সেদিন বাংলাদেশের পতাকা পোড়ানো আর ড: ইউনুসের কুশপুত্তলিকা দাহ করার পর আজ বাংলাদেশের হাইকমিশনে হামলা করেছে ভারতীয় উগ্র হিন্দুত্ববাদীরা৷ সেই সাথে আবার পুড়িয়েছে বাংলাদেশের পতাকা৷ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেছেন, বাংলাদেশে যেহেতু গৃহযুদ্ধের পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তাই জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েন করা উচিত। বিজেপি নেতারা বলছেন, আলু-পিঁয়াজ বন্ধ করে দেয়া হবে৷ আজ কমলার চালান আটকে দেয়া হয়েছে। 🙄

ভারত আসলে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে দিকবিদিকশুন্য হয়ে পড়েছে। কি করবে বুঝে উঠতে পারছে না। চীন আর পাকিস্তানের সাথে চিরবৈরিতা। নেপালী হিন্দুরা তাদের ঘৃণা করে। শ্রীলঙ্কার বৌদ্ধরা তাদের ঘৃণা করে৷ মালদ্বীপের মুসলিমরাও তাদের ঘৃণা করে। সবদেশ হতেই তাদের ঘাড়ধাক্কা দেয়া হয়েছে৷

অন্ধের যষ্টি বা একমাত্র লাঠিটা ছিল ৫০ বছর ধরে শোষণ করে আসা একমাত্র দেশ বাংলাদেশ। গোলামীতে অভ্যস্ত এদেশের জনগণ প্রচন্ড লোভী আবার একই সাথে ডান্ডা ভীতু। তাদের অনুগত  ভৃত্য শেখ হাসিনাকে পেয়ে তারা আলাদিনের চেরাগ পেয়েছিল। শেখ হাসিনা লোভী আর দুর্নীতিবাজ শ্রেণীকে পাশে রাখলেন, পদে বসালেন আর প্রমোশন দিলেন৷ অন্যদের উপর চলল ডান্ডার বাড়ি। ব্যাস সব ভারতের নিয়ন্ত্রণে।  

বিনাশুল্কে ট্রানজিট, একতরফা সব বিদ্যুৎ চুক্তি, মংলা বন্দর, চট্টগ্রাম বন্দর, ভারতের সাথে থাকা সব স্থল বন্দর, নদীর পানি, লাখ লাখ অবৈধ ভারতীয়দের চাকুরি দিয়ে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স নিয়ে যাওয়া....  শুধু নামেই ভারতের অঙ্গরাজ্য ছিল না বাংলাদেশ।  

সেই আলাদিনের চেরাগ কিছু বুঝে উঠার আগেই হারিয়ে পুরোপুরি দিশেহারা মোদী সরকার আর বিজেপি নেতারা। এগুলো তাদের কল্পনা বা পরিকল্পনাতেও ছিল না৷ তাই তারা বিকল্প ভাবেনি। আজ ভারতকে ব্যান্ডউইথ দেয়ার প্রস্তাব ফাইনাল স্টেজে আসার পর প্রত্যাখ্যান করেছে বাংলাদেশ।  এটা শেখ হাসিনার আরেকটা গোলামীর চুক্তি ছিল।

শেখ হাসিনা এখন অতীত৷ ভারত আর ভারতীয়দের মেনে নিতে হবে বাংলাদেশ একটা স্বাধীন আর সার্বভৌম দেশ৷ তাদের গোলামী আর দাসত্ব করার জন্য লাখ লাখ মানুষ জীবন দেয়নি।

মংলা বন্দরের চুক্তি বাতিল করুন। তিস্তা নদীর পানি চুক্তিতে বাধ্য করুন নইলে তিস্তা প্রকল্পের চুক্তি চীনকে দিয়ে দিন। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত আদানি চুক্তিও বাতিল করুন।

বাংলাদেশের মানুষ টুরিজম আর ট্রিটমেন্ট এর জন্য বিকল্প বেছে নিবে, সমস্যা নেই। ভারতীয় সেলিব্রিটি এনে মিলিয়ন ডলার দেয়ারও প্রয়োজন নেই।  

আর ৩টা কাজ অবশ্যই করবেন।
- ভারতীয় পোশাক আমদানি বন্ধ করে দিন, মেয়েদের অধিকাংশ পোশাকই শালীনতা বিবর্জিত। দেশীয় পোশাক আমাদের জন্য যথেষ্ট। আর আমদানি করতে চাইলে পাকিস্তানি মেয়েদের পোশাক অনেক বেশী শালীন আর রুচিশীল।  
- ঘরে ঘরে ভারতীয় সব টিভি চ্যানেল বন্ধ করুন। বিটিভি ছাড়া বাংলাদেশের চ্যানেলগুলো সম্প্রচারে কখনোই অনুমোদন দেয়নি ভারত৷
- পাবলিক প্লাটফর্মে, কনসার্টে, বিয়েবাড়িতে, শপিং মলে বা নাপিতের দোকানে....  হিন্দি গান নিষিদ্ধ করুন।

Atique Ua Khan


 আপনারা যারা সীতাকুন্ডু চন্দ্রনাথ পাহাড়ে উঠেছেন, তারা পাহাড়ের পূর্ব-দক্ষিণ এবং উত্তর পশ্চিম সাইডের মোটা গাছ গুলোকে কখনও খেয়াল করেছেন? যদি কখনও সুযোগ হয় তাহলে দেখবেন- কিছু গাছের এপাশ-ওপাশ ছিদ্র হয়ে আছে, কিছু গাছের একপাশে বেশ গভীর ক্ষত, কিন্তু অপর পাশে নেই। আপনি এই লাইনে এক্সপারটিজ হলে সহজেই ধরে ফেলবেন ক্ষতটা কিসের?

ক্ষতগুলো বুলেটের।

আমার সোর্স এতটুকু কনফার্ম করেই বলেছেন “বুলেট গুলো 12.7‌×99 অথবা 12.7×108 mm ক্যালিবারের”, যেগুলো স্নাইপার রাইফেলে ব্যবহার করা হয়।

খুব সূক্ষ্মভাবে খেয়াল করলে দেখবেন, বুলেটের ছিদ্র থাকা গাছগুলোর অপজিটে স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড বা 45° কিংবা 90° এঙ্গেলে ৪০০/৬০০ মিটারের কোনো ব্যারিয়ার নেই। অর্থাৎ গাছটিকে লক্ষ্যবস্তু হিসেবে নির্ধারণ করে প্রাকটিস হয় এবং আসলেই হয়।

চট্টগ্রামের স্থানীয় যে কেউ ভাল জানবেন, রাতের বেলা এই পাহাড়ে উঠতে গেলে স্থানীয় ছেলেপেলেরা বাঁধ সাধে।

আধুনিক বিশ্বে ক্রস বর্ডার ইন্টারভেনশন বিলুপ্ত হওয়ার পর থেকে পৃথিবীর শক্তিশালি দেশগুলো শত্রুদেশ বা যে দেশকে তারা নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করতে চায়, সেই দেশের অভ্যন্তরে নিজেদের এজেন্ট, সিস্টার অর্গানাইজেশন বা কন্ট্রোল অপোজিশন তৈরি করে রাখে। যাতে করে প্রয়োজনের মুহূর্তে এদেরকে একটিভ করে স্বার্থসিদ্ধি করা যায়।

পৃথিবীর পরাশক্তি দেশসমূহ যেমন- যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ভারত, ফ্রান্স, ব্রিটেন সহ অন্যান্যরা এই পদ্ধতিতে আজও তৃতীয় বিশ্বের অনেক দেশে নিও-কলোনিয়ালিজমের উত্থান ঘটাচ্ছে দেশটির সবচেয়ে স্ট্র্যাটেজিক এরিয়াকে টার্গেট করে। এমনকি যদি সেটা জিওগ্রাফিক্যালি ইম্পরট্যান্ট হয় তবুও।

এমন বহু উদাহরণ থাকলেও এশিয়ার ভেতরে ইন্দোনেশিয়া থেকে হাতছাড়া হয়ে সদ্য স্বাধীন হওয়া পূর্ব তিমুর সবচেয়ে উৎকৃষ্ট উদাহরণই বটে।

পূর্ব তিমুরের ইতিহাস আপনারা সবাই জানেন, যেখানে মুসলিম খ্রিস্টান সমানে সমান বসবাস করত কিন্তু পর্তুগালে বিপ্লবের পর থেকে এই অঞ্চলে জিওপলিটিক্যাল আর্থকুয়াক সংগঠিত হতে শুরু করে।

খুব বেশি ইতিহাস নাড়াচাড়া করলে কনসান্ট্রেশন ব্রেক হবে তাই পূর্ব তিমুর স্বাধীন হওয়ার উল্লেখযোগ্য কয়েকটা পয়েন্ট সংক্ষেপে বলি

৭৫' পরবর্তী সময় থেকেই পূর্ব তিমুর স্বাধীন হওয়ার পথ সুগম হতে থাকে এবং সেখানে ইন্দোনেশিয়ান আর্মির পক্ষে এবং বিপক্ষে আর্মড উইং'ও তৈরি হয়। যাদের মধ্যে  উল্লেখযোগ্য UDT এবং FRETELIN

ইউডিটি ছিল পূর্ব তিমুরকে ইন্দোনেশিয়ার সাথে সংযুক্তকরন করতে ইন্দো আর্মির পক্ষে এবং ফ্রেটিলিন ছিল স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন।

বলে রাখা ভাল, ৭৫' এর আগেও ফ্রেটিলিন ছিল কিন্তু তখন ফ্রেটিলিনের আন্ডারে আরো কয়েকটা সিস্টার্স অর্গানাইজেশন ফ্রেটিলিনের ন্যারেটিভ সার্ভ করত। অর্থাৎ ফ্রেটিলিন নিজে কিছু করত না এবং তাদের কোনোপ্রকার সশস্ত্র মুভমেন্টও ছিল না।

এই ফ্রেটিলিনকে ইন্দোনেশিয়ান আর্মি পরিচয় করিয়েছিল কমিউনিস্ট হিসেবে। তাদের দাবি ছিল ফ্রেটিলিন পূর্ব তিমুরের স্বাধীনতা নিয়ে বসলে তারা কমিউনিস্টপন্থী চীন রাশিয়ার পার্পাস সার্ভ করবে এবং এতে করে যুক্তরাষ্ট্র বা তার এলাইদের এই অঞ্চলে থ্রেট তৈরি হবে। তাই ইন্দোনেশিয়ান আর্মি পুরোদমে পূর্ব তিমুর আক্রমণ শুরু করলো।

এটাই ছিল ভুল। কারন ফ্রেটিলিন কোনোভাবেই কমিউনিস্ট আদর্শ অনুসরণকারী সংগঠন ছিল না। তারা ছিল ক্যাথলিক ক্রিশ্চিয়ান এবং খ্রিষ্ট ধর্মের পার্পাস সার্ভকারী আর্মড মিলিশিয়া গ্রূপ। তাদের পেছনে ক্রিশ্চিয়ান ধর্মযাজকরা কোটি কোটি ডলার ইনভেস্ট করেছিল।

তাহলে এখন সহজেই প্রশ্ন উঠবে, ফ্রেটিলিনকে কমিউনিস্ট হিসেবে সাব্যস্ত করে মার্কিন অস্ট্রেলিয়ান  কোয়ালিশনের লাভটা হলো কি?

লাভ হলো ইন্দোনেশিয়ান আর্মিকে দিয়ে পূর্ব তিমুর আক্রমণ করানো এবং তিমুরের অভ্যন্তরে আর্মি পন্থী মিলিশিয়া তৈরি করে সংঘাত বাঁধানো। অতঃপর সেই সংঘাতের কারনে সংগঠিত ম্যাসিভ ব্ল্যাডশেডকে পুঁজি করে জাতিসংঘে তিমুরের স্বাধীনতার বিষয়ে প্রস্তাবনা পাশ করানো, যার আড়ালে ছিল তিমুরকে ক্রিশ্চিয়ান স্টেটে পরিণত করার ভয়ঙ্কর চক্রান্ত।

ফ্রেটিলিন যদি কমিউনিস্টপন্থী দলই হবে তাহলে ৯৯'সালে যখন জাতিসংঘের শান্তি মিশন টিম INTERFET পূর্ব তিমুরে আসে, তারা কেনো ফ্রেটিলিনকে অভিবাদন জানায় এবং ইন্দোনেশিয়ান আর্মিপন্থী সংগঠনকে নিউট্রলাইজ করতে থাকে? অর্থ্যাৎ, পুরোটাই বৃহৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই কাজ করেছে।

এবার বলি বাংলাদেশের সাথে ইন্দোনেশিয়ার পূর্ব তিমুরকে দখল করার প্যাটার্ন আপনি কিভাবে মিলাবেন?

ভারত, ই স ক ন এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম

ওকে, ই স ক নে র নাম শুনে নিশ্চয়ই আপনি তেলে বেগুনে জ্বলে উঠেছেন। এটাই ভুল। ইসকনের নাম শুনলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে তাদের এক্টিভিটিস। মুহূর্তেই আমাদের মানসপটে স্মৃতি একে যায় যে, ইসকন একটি উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠন, যারা ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা র কতৃক পরিচালিত― এই পুরো ধারনাই ভুল।

টু বি হনেস্ট, ইসকন কোনো হিন্দুত্ববাদী সংগঠন নয় এবং ভারত একা এটাকে রান করায় না। বরং ইসকন একটি র্যাকেট, একটি বিশাল সিন্ডিকেট, সর্বোপরি ডিপ স্টেটের একটি সিস্টার অর্গানাইজেশন। যেখানে হিন্দু, মুসলিম, ক্রিশ্চিয়ান সবাই আছে।

এখন হয়ত আপনি বলতে পারেন, সম্প্রতি হাজারী গলির যে কাহিনী ঘটলো সেটাকে বিশ্লেষণ করলে এটাই প্রমান হয়, ই স ক ন হি ন্দু ত্ব বা দী সংগঠন।

তাহলে হাজারী গলির কাহিনী একটু খুলে বলি

হাজারী গলি এবং পাথরঘাটার ফাদারবুদ্র হসপিটাল ইসকনের স্বর্গরাজ্য

হাজারী গল্লির ভেতরের অবস্থান বাহির থেকে কারো কল্পনা করা সম্ভব নয়। এখানে ভিতরে এক টুকরো ইসকন রাজ্য। হি ন্দু রাজ্য হলেও আমার কোন আফসোস থাকতোনা কিন্তু এটা হি ন্দু রাজ্য নয় বরং জ ঙ্গি সংগঠন ই স ক নে র রাজ্য।

ই স ক নে র সবচেয়ে বড় শত্রু প্র্যাকটিসিং হি ন্দু রা। এজন্য অনেক সরলমনা হি ন্দু ও ইসকনকে কে পছন্দ করেনা।

হাজারী গলিতে ইসকন টিকে আছে কিছু মুসলিম মেডিসিন এবং গোল্ড ব্যবসায়ীর জন্য। হাজারি গলি থেকে এদের কে নির্মুল করার একমাত্র প্রসেস হচ্ছে মুসলিম ঔষধ ব্যবসায়ীরা এবং গোল্ড ব্যবসায়ীরা সেখান থেকে ঔষধ আর গোল্ড ক্রয় না করা। এছাড়াও এখানে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার বিজনেস হয়। যার ৮০% গ্রাহক মুসলিমরা অথচ সেলারদের কিন্তু ৯৫% হি ন্দু। আবার এই হি ন্দু দে র মাঝে ৮০% ই স ক নে র।

তাহলে প্রশ্ন উঠছে, মুসলিম গ্রাহকরা হাজারী গলির মেডিসিন শপ বাইপাস করলেই তো হয়, করছে না কেনো??

এখানেই চলে আসছে পাথরঘাটার ফাদারব্রুড হসপিটাল

এটা কিন্তু ক্রি শ্চি য়া ন মিশনারীর হসপিটাল, কিন্তু খেয়াল করে দেখবেন উক্ত হসপিটালের বেশিরভাগ কর্মচারী ই স ক নে র

সরলমনা হি ন্দু, মুসলিম বা অন্য ধর্মের গ্রাহকরা তাদের থেকে বিরাট বেনিফিট পায়। যেমন ধরুন- একটা ইসিজি, ইকোকার্ডিওগ্রাম বা এমআরআই টেস্ট এর জন্য যে টাকা প্রয়োজন, সেটা নামমাত্র মূল্যে করিয়ে দেওয়া। আর মেডিসিনের জন্য ছোট্ট কাগজে নাম নাম্বার লিখে পাঠিয়ে দেওয়া হয় হাজারী গলির নির্দিষ্ট সেইসব ই স ক নে র দোকানে। যেখান থেকে তারা খুব সাশ্রয়ে মেডিসিন নিতে পারে।

এই কাজটা কেন করা হয় জানেন? কারন মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি হলো, মানুষ সিমপ্যাথির চেয়ে এমপ্যাথি বেশি খায়। অর্থাৎ পুরো সাইকোলজিক্যাল ওয়ারফেয়ার। আর এই কাজে তাদেরকে বহু মুসলমানও হেল্প করে।

কিন্তু এত কথার মূল কথা হলো ই স ক ন যে একটা সিস্টার অর্গানাইজেশন- সেটা বুঝবেন কিভাবে?

দেখুন, ই স ক ন কে আমাদের সাথে উগ্র হি ন্দু ত্ব বা দী এবং ভারতীয় ইন্টিলিজেন্সের সহায়ক সংগঠন হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হলেও এটা পুরোপুরি সত্য নয়। বরং আংশিক সত্য।

ইসকন যদি হিন্দুদের সংগঠনই হতো তাহলে এর জন্ম হতো ভারতে, অথচ এর জন্মেরই ঠিক নাই। অন্তত ভারত যে এর জন্মস্থান নয়, তা শতভাগ নিশ্চিত। বরং যতটুকু জানা যায়, যুক্তরাষ্ট্র থেকেই ইসকনের উত্থান

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের অস্টিন, ডালাস, এছাড়াও মিশিগান স্টেট সহ বিভিন্ন জায়গায় ইসকনের বহু পুরানো টেম্পল আছে। কিন্তু ইতিহাস ঘাটলে এসবের সাথে হি ন্দু ধ র্মে র দূরতম কোনো সংযোগ পাওয়া যায়না। তাহলে কালের পরিক্রমায় তারা কিভাবে হি ন্দু হয়ে গেলো? তার চেয়ে বড় প্রশ্ন এই সাবকন্টিনেন্টে কেন তাদেরকে ইনজেক্ট করা হলো?

দেখুন, উপরে আমি বলেছিলাম পূর্ব তিমুরে ফ্রেটিলিনকে পশ্চিমারাই কমিউনিস্ট ব্যানার দিয়েছিল, কারন ওখানে কমিউনিস্ট ব্যানার দিলে যুদ্ধটা বাঁধবে

ঠিক একইভাবে এই অঞ্চলে ইসকনকে উ গ্র হি ন্দু ত্ব বা দে র মালা পরিয়ে একবার ঢুকিয়ে দিতে পারলেই ঝামেলা বাঁধবে কারন এখানে এবসুলেট সলিড অপোজিশন 'মুসলমানরা' আছে। খুব সহজেই যেকোনো একজনের ইমোশন্সকে ট্রিগার করে ঝামেলা বাঁধানো যাবে।

দ্বিতীয় প্রশ্ন, বিগ ব্রাদার তাহলে এখানে ভারতকে কেন খেলাচ্ছে?

আমরা জানি ভারতে প্রায় ৭৯ টি ইসকন টেম্পল আছে। অর্থাৎ ভারতকে স্টেশন মাস্টার হিসেবে রাখা হয়েছে এবং “ভারতকে এই মূল ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে যে সবকিছু তুমিই অপারেট করবে এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে ম্যাসিভ ব্রেকথ্রু দিতে পারলে কন্ট্রোলিং পাওয়ার তোমার হাতেই দেওয়া হবে। তুমি চাইলে ব্রেক চাপবে, চাইলে এক্সেলরেটর চাপবে। দ্যাটস ইওর চয়েস”। আর ভারত ঠিক সেই কাজটিই করছে। তাদের  নির্দেশে, অর্থায়নে পাহাড়ে ট্রেনিং হয় আবার দিনের বেলায় সব সাধু। সাধারণ মানুষকে ঘিরে তাদের প্রচুর কর্মসূচি রয়েছে, যা আপনার আমার কল্পনারও বাইরে। তারা এতটা প্রফেশনালি সবকিছু হ্যান্ডেল করে যা নিজ চোখে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। গতকাল সীতাকুন্ডু পাহাড়ে স্নাইপিং প্রাকটিস নিয়ে যে লিখাটা দিয়েছিলাম তা এদেরই কর্মসূচির অংশ।

আমরা কল্পনাও করতে পারছি না বাংলাদেশ কতটা ক্রান্তিলগ্ন পার করছে। আমাদের জন্য এই মুহূর্তে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো, ই স ক ন কে উ গ্র হি ন্দু ত্ব বা দি না বলে জ ঙ্গি সংগঠন বলা। কোনো ধর্মীয় ট্যাগ ব্যবহার না করা। একইসাথে ই স ক ন এবং হি ন্দু গুলিয়ে না ফেলা। ই স ক ন মানেই হি ন্দু না, ই স ক ন একটি মাল্টিটাস্কিং পারফেকশনিস্ট অর্গানাইজেশন, যাদের লবিং বহু গভীরে।

Shafin Rahman

 df


 ৭৩০ কোটি টাকা দিয়ে, আকাশ পথ নজরদারী রাখার জন্য দু'টি আধুনিক রাডার কিনা হয়েছে ফ্রান্স থেকে, একটি রাডার বসানো হয়েছে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে, আরেকটি চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে রাডার বসানোর কাজ চলছে।

এখন থেকে ভারতের বিমান বাংলাদেশের আকাশ সীমা পাড়ি দিতে হলে কর দিতে হবে,যা আগে কখনো ভারত বাংলাদেশকে কর দিতো না, বরং তারা উল্টো আকাশ পথের কর আমাদের কাছ থেকে নিয়ে যেতো, তাদের রাডারের মাধ্যমে।  

কিন্তু এখন থেকে তাদের বিমান ৭শ ডলার করে প্রতিদিন  কর দিতে হবে বাংলাদেশকে।।
ভারতের ১শ বিমান উঠানামা করে আমাদের ভূখণ্ডে ১০০×৭০০=৭০ হাজার ডলার বাংলাদেশকে ভারত কর দিতে হবে,শুধু ভারত না এখন থেকে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে যে কোনো দেশের বিমান চলাচল করলে বাংলাদেশকে কর দিতে হবে।


 গুগোল ফোন ট্র্যাকার দিয়ে আবু ত্বহা আদনানের মোবাইলের সর্বশেষ অবস্থান দেখা গেছে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই এর প্রধান কার্য্যালয়ে I
গুগোল ট্র্যাকিং এর এই প্রযুক্তি কেউ মিথ্যা প্রমান করার সুযোগ নেই I

তবুও ঘটনার আড়ালে ঘটনা থাকার সম্ভাবনা তো একেবারেই উড়িয়ে দেয়া যায়না I

লক্ষণীয় যে , খবরটি যখন সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়লো , যেনো এক আনন্দের বন্যা বয়ে যাচ্ছে সারা দেশে I

কিন্তু কেনো !!!

আবু ত্বহা আদনানকে তো খুঁজে পাওয়া যায়নি I তাহলে কেন এতো আনন্দ ??

সরল একটি উত্তর খুঁজে পেলাম I

জনগণের আস্থার জায়গা ও বিশ্বাসের জায়গা আমাদের প্রতিরক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংস্থাগুলো I

খুঁজে না পাওয়া ব্যক্তি একেবারেই হারিয়ে না গিয়ে দেশের কোনো আইনি সংস্থার কাছে থাকাটাও নিরাপদের জায়গা হিসেবেই মানুষ মনে করে I

যদিও বলার সময় এসেছে যে , সংস্থাগুলোর প্রতি এমন আস্থা ও মানুষের নির্ভয়ের জায়গাটুকুকে আরো বেশি স্পষ্ট এবং শক্তিশালী করতে এমন কর্মকান্ড থেকে সংস্থাগুলো নিজেদেরকে বের করে আনতে হবে I

আবু ত্বহা আদনান এদেশের বিদ্যমান আইনের বাইরের কোনো বিশেষ ব্যক্তি নন I তিনি যদি কোনো অপরাধ করে থাকে তাহলে তাঁকে অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি হতে হবে , এটাই সাংবিধানিক নিয়ম I

কিন্তু যেকোনো অপরাধের বিচার কখনোই অপহরণ বা গুম করা দিয়ে হতে পারেনা I

রাষ্ট্রীয় কোনো সংস্থা যখন এমন কর্মকান্ডে যুক্ত থাকে তখন সাধারণ মানুষ নিঃস্ব হয়ে যায় I মানুষের নিরাপত্তার প্রশ্নে উদ্বেগের জায়গার ব্যাপ্তি বাড়তে থাকে I

এতে করে শুধুই সংস্থা নয় , সরকার এবং পুরো রাষ্ট্রের প্রতি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভাবে একটি অসন্তোষ বা অনাস্থার সুযোগ তৈরী হয় I

আদনানের অবস্থান রাষ্ট্রীয় সংস্থার কাছে দেখে সাধারণ এমন আত্মশান্তির জায়গাটুকু যেনো নষ্ট না হয় I

আদনানকে অতি শীঘ্রই ফিরে পাক তাঁর পরিবার I
একজন সমাজকর্মী হিসেবে আমার ভালো লাগাটা সেটাতেই পরিপূর্ণ হবে I

আশা করি খুব স্বল্প সময়েই আদনানকে ফিরে পাবে তাঁর পরিবার , আর আমি ছুটবো নতুন কোনো আলোর সন্ধানে , সাথে থাকবে ফেস দ্যা পিপল পরিবারের লক্ষ সদস্য I

সাইফুর সাগর
সঞ্চালক , ফেস দ্যা পিপল I

 সাড়ে ৩ হাজার কনস্টেবল নিয়োগ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত।
সবাই পতিত আঃলীগ সরকারের সমর্থক।

শেখ হাসিনার কর্তৃত্ববাদী সরকারের শেষ সময়ে দলীয় পরিচয়ে চাকরিতে নিয়োগপ্রাপ্ত তিন হাজার ৫৭৪ জন টিআরসি চূড়ান্তভাবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছে। গত জুন মাসে দলীয় বিবেচনায় চূড়ান্ত হওয়া এসব টিআরসি (ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল) বর্তমানে পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার নোয়াখালী, টাঙ্গাইল, রংপুর, খুলনা, পিএসটিএস রাঙ্গামাটি ও পুলিশ একাডেমি সারদায় চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রশিক্ষণরত রয়েছে।

গত মার্চ ও এপ্রিল মাসে সারা দেশে ৬৪ জেলায় চারটি পর্বে পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের দলীয় ক্যাডার হিসেবে মৌখিক পরীক্ষার আগের দিন তাদের বাছাই করা হয়। এর বাইরে অন্য প্রার্থীদের নানা কৌশলে বাদ দেয়ার মাধ্যমে তাদের বাছাই করা হয়েছিল।

তৎকালীন আইজিপি এবং রিক্রুটমেন্ট ও ক্যারিয়ার প্ল্যানিং শাখা থেকে অত্যন্ত চতুরতার সাথে তাদের বাছাইপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। এ প্রক্রিয়ার সাথে সম্পৃক্ত কর্মকর্তারা বর্তমান বৈষম্যবিরোধী সরকারের সময়ে বিভিন্ন পদে বহাল তবিয়তে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

সূত্র: নয়াদিগন্ত


 

 

আমার কুমিল্লা, আমার অধিকার...

দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময় ১৯৪১ - ৪২ সালে কুমিল্লা নগরীর দক্ষিণ পাশে ৭৭ একর ভূমিতে তৈরী হয় কুমিল্লা বিমান বন্দর। ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত বিমান বন্দরটি আভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট সচল ছিল। পরে অজ্ঞাত কারণে কুমিল্লাতে বিমান ওঠানামা বন্ধ হয়ে যায়। বিমান ওঠানামা না করলেও এখনো চালু অবস্থাতেই আছে বিমান বন্দরটি।কুমিল্লা বিমান বন্দরে নেভিগেশন ফ্যাসিলিটিজ,কন্ট্রোল টাওয়ার, ডিএইচএফ সেট,এয়ার কমিউনিকেশন যন্ত্রপাতি, ফায়ার ষ্টেশন,ফায়ার সার্ভিস সহ সব সুবিধাই রয়েছে। যাত্রীদের জন্য আলাদা রুমও আছে। সব সুবিধা থাকার পরও অদৃশ্য কোন ইশারায় গত চার দশকের বেশি সময় বন্ধ রয়েছে বিমান বন্দরটি,শুধু উদ্যোগ নিয়ে রানওয়ে মেরামত এবং ফায়ার সার্ভিস ও এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল টাওয়ারের কয়েকজন জনবল নিয়োগ করলেই কুমিল্লা বিমান বন্দর থেকে আভ্যন্তরিন রুটে বিমান চলাচলের পাশাপাশি কলকাতা, আগরতলা সহ বিভিন্ন রুটে বিমান চলাচল সম্ভব, এসব কাজের জন্য প্রয়োজন মাত্র বিশ থেকে পঁচিশ কোটি টাকা, শুধুমাত্র স্বদিচ্ছার প্রয়োজন।
প্রতিদিন কুমিল্লা বিমান বন্দরের সিগন্যাল ব্যবহার করছে কমপক্ষে চল্লিশটি এয়ার বাস আর সিগন্যালিং থেকে আয় হচ্ছে মাসে প্রায় ত্রিশ লক্ষ টাকা।আমরা কুমিল্লা বাসি অনেকেই জানিনা আমাদের বিমান বন্দরটি এখনও চালু আছে,কিন্তু বিমান ওঠানামা না করাতে আমরা এর সুফল থেকে বঞ্চিত হচ্ছি।আসুন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে দাবী জানাই। আমাদের বিমান বন্দরতো সচল আছেই শুধু চালুর দাবী জানাচ্ছি।
আমাদের ইতিহাস ঐতিহ্য যানা একান্ত প্রয়োজন
.
.

#BMW সম্পর্কে দশটি অজানা তথ্য

১. প্রতিষ্ঠা এবং ইতিহাস: বিএমডব্লিউ, বায়ারিশে মোটরেন ওয়ার্ক এজি, ১৯১৬ সালে মিউনিখ, জার্মানিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, প্রথমে বিমানের ইঞ্জিন উৎপাদন করে। কোম্পানী 1920 এর দশকে মোটর সাইকেল উৎপাদনে রূপান্তরিত হয় এবং অবশেষে 1930 এর দশকে অটোমোবাইলে পরিণত হয়।

২। আইকনিক লোগো: বিএমডব্লিউ লোগো, যাকে প্রায়শই "রাউন্ডেল" বলা হয়, একটি কালো আংটি নিয়ে গঠিত যা নীল এবং সাদা চার চতুর্থাংশ দিয়ে ছেদ করে। এটি বিমানের কোম্পানির উত্সকে প্রতিনিধিত্ব করে, নীল এবং সাদা একটি স্পষ্ট নীল আকাশের বিরুদ্ধে একটি ঘূর্ণন প্রপেলার প্রতীক।

৩। প্রযুক্তিতে উদ্ভাবন: বিএমডব্লিউ অটোমোটিভ প্রযুক্তিতে উদ্ভাবনের জন্য বিখ্যাত। এটি ২০১৩ সালে বিশ্বের প্রথম বৈদ্যুতিক গাড়ি, বিএমডব্লিউ আই৩ চালু করে, এবং উন্নত ড্রাইভিং সহায়তা সিস্টেম (এডিএএস) এবং হাইব্রিড পাওয়ারট্রেন উন্নয়নে একজন নেতা হয়েছে।

৪. কর্মক্ষমতা এবং মোটরস্পোর্ট হেরিটেজ: মোটরস্পোর্টে বিএমডব্লিউ এর একটি শক্তিশালী ঐতিহ্য আছে, বিশেষ করে ভ্রমণের গাড়ি এবং ফর্মুলা 1 রেসিং এ। ব্র্যান্ড এর এম বিভাগ তাদের নিয়মিত মডেলগুলির উচ্চ-পারফরম্যান্স সংস্করণ তৈরি করে, যা তাদের নির্ভুলতা ইঞ্জিনিয়ারিং এবং উত্তেজনাপূর্ণ ড্রাইভিং গতিশীলতার জন্য পরিচিত।

৫। বিশ্বব্যাপী উপস্থিতি: বিএমডব্লিউ একটি বিশ্বব্যাপী অটোমোটিভ কোম্পানি

৬. বিলাসিতা এবং নকশা: বিএমডব্লিউ বিলাসিতা এবং স্বতন্ত্র নকশার সমার্থক, কারুশিল্প যা আধুনিক প্রযুক্তি এবং আরামের সাথে কমনীয়তা মিশ্রিত করে।

৭. টেকসই অনুশীলন: বিএমডব্লিউ স্থায়িত্বের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তার যানবাহনের মধ্যে পরিবেশ বান্ধব উপকরণ এবং উৎপাদন প্রক্রিয়া অন্তর্ভুক্ত করে, পাশাপাশি বিএমডব্লিউ আই৪ এবং আইএক্স এর মত মডেলের সঙ্গে বৈদ্যুতিক যানবাহন প্রযুক্তির অগ্রগতি।

৮. গ্লোবাল ম্যানুফ্যাকচারিং: বিএমডব্লিউ বিশ্বব্যাপী অসংখ্য প্রোডাকশন সুবিধা পরিচালনা করে, যার মধ্যে আছে জার্মানি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন এবং অন্যান্য দেশ আছে, যাতে একটি বিশ্বব্যাপী পৌঁছানোর এবং স্থানীয় উত্পাদনের নিশ্চিত হয়।

৯। ব্র্যান্ড পোর্টফোলিও: এর বিখ্যাত বিএমডব্লিউ ব্র্যান্ড ছাড়াও, কোম্পানী মিনি এবং রোলস-রয়েস এর মালিক, বিভিন্ন ধরণের অটোমোটিভ স্বাদ এবং বিলাসবহুল সেগমেন্টস সরবরাহ করে।

১০। সাংস্কৃতিক প্রভাব: বিএমডব্লিউ এর গাড়িগুলি প্রায়ই সাংস্কৃতিক আইকন হয়ে ওঠে, ভাইরাল ভিডিওতে দেখানো হয়েছে।